সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের অব্যাহতি প্রদান করেন এবং মামলাটি নথিজাত করেন। একই সঙ্গে আদালত তাদের জামিনও মঞ্জুর করেন।
শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, মামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ সাজানো ও মনগড়া। মামলার বর্ণনায় যে ৭৯ লাইনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী বা তার ভাইয়ের কোনো সাক্ষাৎ হয়নি, সেখানে হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রশ্নই ওঠে না।
এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী। এ সময় অভিনেত্রীর মুখে কালো মাস্ক দেখা যায়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার প্রলোভন দেখিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে ১৬ নভেম্বর তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্রে বাদী আমিরুল ইসলামকে মেহজাবীনের নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ সময়েও ব্যবসা শুরু না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা করা হয়।
বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৬ মার্চ হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে ডেকে নিয়ে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ভাটারা থানায় গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।