রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহদী হাসানকে আদালতে তোলা হয়। পরে সকাল সোয়া ১০টার দিকে বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহদী হাসানের আইনজীবী এম এ মজিদ।
এর আগে, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাহদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শাস্তোনগর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেফতারের পর থেকেই মাহদীর মুক্তির দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। রাতভর বিক্ষোভ চলার পাশাপাশি তারা তাৎক্ষণিকভাবে আদালত বসিয়ে জামিন শুনানির দাবি জানান।
এদিকে, রোববার সকালেও মাহদীর মুক্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার, মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের দাবি, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এনামুল হাসানকে আটকের প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে অবস্থান নেন। এসময় থানার ওস্যার সামনে থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
এ ঘটনায় মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।