শেরপুরের নকলা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে নিজের ছয় বছরের মেয়ে মরিয়মকে হত্যা করেছে বাবা। এ ঘটনায় চার বছর বয়সী আরেক মেয়েও গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চর অষ্টধর ইউনিয়নের চর বসন্তী (মধ্যপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটির নাম মিম (৪)। তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চর বসন্তী এলাকার অটোরিকশাচালক বাবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরেই তার স্ত্রীর সাথে পারিবারিক কলহ চলছিল। তার জেড়েই বাবু মিয়া এ নৃশংস ঘটনা ঘটান।
শেরপুরের নকলা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে নিজের ছয় বছরের মেয়ে মরিয়মকে হত্যা করেছে বাবা। এ ঘটনায় চার বছর বয়সী আরেক মেয়েও গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চর অষ্টধর ইউনিয়নের চর বসন্তী (মধ্যপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটির নাম মিম (৪)। তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চর বসন্তী এলাকার অটোরিকশাচালক বাবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরেই তার স্ত্রীর সাথে পারিবারিক কলহ চলছিল। তার জেড়েই বাবু মিয়া এ নৃশংস ঘটনা ঘটান।
জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের তার একপর্যায়ে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে বাবু মিয়া দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হঠাৎ করে তিনি বড় মেয়ে মরিয়মকে গলা টিপে হত্যা করেন। ছোট মেয়ে মিমকে হত্যাচেষ্টার সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পুলিশের সহায়তায় তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই ঘটনার বিষয়ে চর অষ্টধর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দুলাল বলেন, 'আমি যতটুকু জানি পারিবারিক কোনো সমস্যা কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। বিস্তারিত আমিও জানার চেষ্টা করছি।'
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, 'প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের বিষয়টি জানা গেছে। অভিযুক্ত বাবা বাবু মিয়াকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'