প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলা ভোটগ্রহণের প্রস্তুতির সময় সংশ্লিষ্ট এজেন্ট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে কেন্দ্রে কিছু সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর কেন্দ্রের পরিবেশ স্বাভাবিক হয় এবং নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রয়েছে। গণভোটের কারণে এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য রয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজারের বেশি।
সারা দেশের প্রায় ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৭০০টি দেহে ধারণযোগ্য ক্যামেরা। এছাড়া বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতার তথ্য দ্রুত জানাতে চালু রয়েছে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ ও হটলাইন নম্বর ৩৩৩।
এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।