নিহতের বাবা হেলাল মিয়া বলেন, 'শুক্রবার বিকাল থেকে আমার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আত্মীয়-স্বজনসহ আশপাশের সব জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে রাত ৯টার দিকে আখাউড়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। আজ সকাল ৯টার দিকে পাশের একটি জমির পানিতো আমার মেয়ের লাশ ভেসে থাকে।। অথচ ওই জায়গায় আমি, আমার পরিবার একাধিকবার খোঁজাখুঁজি করেছি তখন কোনো লাশ বা জুতা পাওয়া যায়নি। কিন্তু আজ লাশ ও জুতা পাওয়া গেছে। আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি কয়েকজনকে সন্দেহ করি। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।'
এসময় তিনি আরও বলেন, 'যে দিন হারিয়েছে, সেদিনই যদি মারা যেত, তাহলে তিন দিন লাশ এভাবে থাকত না। লাশে দুর্গন্ধ বা পচন ধরত।'
নিহতের বড় ভাই রাসেল মিয়া বলেন, 'আমার বোনের মরদেহ দেখে মনে হচ্ছে এটা হত্যাকাণ্ড। আমার বোনকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে মেরে লাশ জমিতে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।'
রাসেল আরও বলেন, 'ওই দিন বিকালে পাশের বাড়ির একটা ছাগল হারানো গেছে। আমার মনে হয় কেউ ছাগলটা নিয়ে যাওয়ার সময় আমার বোন দেখে ফেলে।'
এদিকে মাস্টার পাড়ার সবুজ মজুমদারের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার বলেন, 'আমি আমার আমার অসুস্থ বোনকে দেখতে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার ছাগলটা ঘরে আসেনি। রোববার দুপুর পর্যন্ত ছাগলটি পাইনি।'