ভারতের ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্যের বরাতে 'টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া' জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ২০.৫৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২.৩১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার।
গত এক সপ্তাহে দেশে ও আশপাশের এলাকায় একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর রাতে বঙ্গোপসাগরে ৪ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়।
এদিকে, সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কক্সবাজার শহর, উখিয়া ও চকরিয়ায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ওই কম্পনটির মাত্রা ছিল ৪.৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার।
স্থানীয়রা জানান, সে কম্পনের স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড। তবে বঙ্গোপসাগরে হওয়া সর্বশেষ ভূমিকম্পটি কেউ অনুভব করেননি। দুই ভূমিকম্পেই কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।