রোববার (১০ মে) যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর সোমবার (১১ মে) এ বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পাল্টা প্রস্তাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নাকচ করেন।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই বলেন, 'মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও ঘাঁটিগুলোই এই অঞ্চলে সংঘাত এবং অস্থিতিশীলতার মূল কারণ।
তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র যেসব দাবি তুলেছে, তা পুরোপুরি অযৌক্তিক। বিপরীতে ইরানের শর্তগুলো যৌক্তিক ও ন্যায্য।'
ইসমাঈল বাঘেই আরও জানান, যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি ইরান মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, ‘জলদস্যুতা’ বন্ধ এবং জব্দ করা ইরানি অর্থ ও সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। তেহরানের দাবি, এসব শর্ত আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। তবে পরদিনই ট্রাম্প প্রশাসন ইরানি বন্দরে নতুন করে নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়তে শুরু করে।
ইরান বলছে, যেকোনো নতুন সমঝোতার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। এখন, দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল