দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানায়, প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও এতে উত্তেজনা কমানোর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব তেহরানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইসলামাবাদ দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতার আগ্রহও প্রকাশ করেছিল।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর খবরে প্রস্তাবের কিছু শর্ত ও দাবির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং এটিকে ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করা।
অন্যদিকে, প্রস্তাবটি গ্রহণ করলে ইরানের জন্যও কিছু সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নথিপত্র এখনো তাদের হাতে আসেনি। তারা প্রকাশিত তথ্যগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান না জানা পর্যন্ত পরিস্থিতি অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।