বুধবার (৪ মার্চ) সিনেটে উত্থাপিত ‘যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাবটি’ পদ্ধতিগত ভোটে ৪৭-৫২ ব্যবধানে বাতিল হয়ে যায়। এর ফলে কংগ্রেসের হাতে যুদ্ধের ওপর নজরদারি বজায় রাখার চেষ্টা বিফল হলো।
সিনেটে বিতর্ক চলাকালীন প্রস্তাবের সমর্থকরা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরান আক্রমণ করে ট্রাম্প তার সাংবিধানিক ক্ষমতা লঙ্ঘন করেছেন। সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কেবল ‘আত্মরক্ষা’ ছাড়া অন্য কোনও কারণেই যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারবেন না।
সিনেটর টিম কেইন বলেন, 'ট্রাম্প প্রশাসন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ করতে চলেছিল।
ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধের পক্ষে ভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেছে। তারা দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইসরায়েল ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে, যা মার্কিন স্বার্থে হুমকি তৈরি করতে পারে। তবে পরে ট্রাম্প বলেছিলেন, মূল হুমকি আসছে ইরান থেকে।
রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বলেন, 'ইরানের দীর্ঘদিনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপকে বৈধতা দেয়।'
পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ জানান, সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে এবং আরও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে। ট্রাম্প এই অভিযান কয়েক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভোটের ফলাফল নির্বাহী ক্ষমতার পরীক্ষা এবং কংগ্রেসের সাংবিধানিক ভূমিকার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
‘ফ্রেন্ডস কমিটি অন ন্যাশনাল লেজিসলেশন’ এর হাসান এল-তায়াব বলেন, 'কংগ্রেসকে বারবার দেখাতে হবে যে, তারা যুদ্ধের ওপর নজরদারি রাখার জন্য ক্ষমতা রাখে।'