ট্রাম্প বলেন, 'সোমবার সকাল থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী এসব জাহাজ যাত্রা শুরু করবে। এটি তেহরানের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের ইঙ্গিত।'
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—উভয় পর্যায়েই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও গত বুধবার ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, তবে বর্তমানে সেই প্রস্তাবের অধিকাংশ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানে বর্তমানে একটি ‘নতুন গোষ্ঠী’ ক্ষমতায় এসেছে, যাদের সঙ্গে আগে কখনও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগ ছিল না।
ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের হাতে একাধিক বিকল্প খোলা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সমঝোতার সম্ভাবনা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।'
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই দাবি সত্য হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিশ্ব এখন সোমবার সকালে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি