বাড়িতে সালাদ বানাতে গেলে সাধারণত পেঁয়াজ, শসা ও টমেটোই প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কেউ কেউ ধনেপাতা বা লেটুস যোগ করেন। তবে একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি প্রায়ই অবহেলিত থেকে যায়—মুলা। খনিজ ও ভিটামিনে ভরপুর হলেও এর গন্ধ বা স্বাদের কারণে অনেকেই মুলা এড়িয়ে চলেন। অথচ সালাদ কিংবা ডাল–তরকারিতে মুলা যোগ করলে তা হতে পারে স্বাস্থ্যের বড় সহায়ক।
বাড়িতে সালাদ বানাতে গেলে সাধারণত পেঁয়াজ, শসা ও টমেটোই প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কেউ কেউ ধনেপাতা বা লেটুস যোগ করেন। তবে একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি প্রায়ই অবহেলিত থেকে যায়—মুলা। খনিজ ও ভিটামিনে ভরপুর হলেও এর গন্ধ বা স্বাদের কারণে অনেকেই মুলা এড়িয়ে চলেন। অথচ সালাদ কিংবা ডাল–তরকারিতে মুলা যোগ করলে তা হতে পারে স্বাস্থ্যের বড় সহায়ক।
সম্প্রতি এমস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টরা মুলার উপকারিতা নিয়ে আলোকপাত করেছেন। পাশাপাশি মুলা ঘিরে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণাও ভেঙে দিয়েছেন তারা।
চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে মুলা বেশ উপযোগী। এটি অত্যন্ত কম ক্যালোরিযুক্ত সবজি। ফলে সালাদে যোগ করলে খাবারে যেমন মুচমুচে ভাব আসে, তেমনি পেট ভরে তৃপ্তিও দেয়। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর সস বা ডিপের সঙ্গে মুলা খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।
মুলার উপকারিতা
১. কম শর্করা ও কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় মুলা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
২. মুলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৩. কম ক্যালোরির কারণে ওজন কমাতে মুলা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু মুলা খেলেই পেটের চর্বি কমে যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
৪. অনেকের ধারণা, মুলা খেলে পেটফাঁপা হয়। বাস্তবে বিষয়টি ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন—কারও ক্ষেত্রে গ্যাস বাড়তে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে পেটফাঁপা কমাতেও সাহায্য করে।
৫. গবেষণাগারে করা কিছু পরীক্ষায় মুলা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে মানুষের ওপর সরাসরি পরীক্ষায় এখনো চূড়ান্ত প্রমাণ মেলেনি।
সব মিলিয়ে, পেঁয়াজ, শসা ও টমেটোর সঙ্গে নিয়মিত সালাদে মুলা যোগ করলে স্বাদ যেমন বাড়বে, তেমনি মিলবে বাড়তি পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাও।