মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নারী, শিশু ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।
শোভাযাত্রায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলসহ নানা লোকজ উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। বাঙালিয়ানার ঐতিহ্যবাহী সাজে শিশুদের অংশগ্রহণ উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
পুরো শোভাযাত্রাজুড়ে দেশাত্মবোধক গান, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানের পরিবেশনায় তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অংশগ্রহণকারীরা গান ও আনন্দের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করেন।
শোভাযাত্রার আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনা পুনরুজ্জীবিত কর।
এ সময় ইসলামী মূল্যবোধ ও শরিয়াহবিরোধী সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়।