তিনি বলেন,পোস্টাল ব্যালটের বিধান আইনে থাকলেও এতদিন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার আগে প্রবাসীরা ভোট দেবেন না। তবে ব্যালট আগেই পৌঁছে যাবে। পুরো প্রক্রিয়া ভোটার, রিটার্নিং অফিসার ও ইসি মনিটর করতে পারবে। উদ্যোগটি ব্যয়বহুল। বর্তমানে ডাক বিভাগের সাহায্যে একটি ভোট নিতে ৭০০ টাকা খরচ হবে তবে ডিএইচএল-এর মত প্ল্যাটফর্মে ভোট নিতে গেলে খরচ পড়ত পাঁচ হাজার।
তিনি আরও বলেন,প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনই হবে এবারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া পোস্টাল ব্যালটের গ্লোবাল ওয়েস্টেজ রেট আরেকটি চ্যালেঞ্জ। এরপর আছে সাইবার নিরাপত্তা। ভোট ব্যবস্থাপনা যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় তাই অত্যাধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ না করে ম্যানুয়াল পদ্ধতি করা হয়ে হয়েছে৷ প্রবাসী ভাইদের প্রতি আহবান থাকবে ভোটের তথ্য গোপন রাখবেন। এটি ঈমানি দায়িত্ব। কারণ আপনারা ভোট দেয়ার তিন সপ্তাহ পর দেশে মূল নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।