ফাউজুল কবির খান বলেন, ‘গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর দগ্ধ ভবনে শিল্প প্রদর্শনী দেখতে গিয়েছিলাম। অগ্নিদগ্ধ হতে সংবাদপত্রটিকে বাঁচাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতার দায় আমাদের। এখানে কোন যদি, বা কিন্তু নাই।’
তিনি আরও বলেন, 'প্রথম আলো আক্রান্ত হয়েছে এটা দু:খজনক হলেও এ ধরণের ঘটনা বিরল নয়। স্মর্তব্য, উগ্রপন্থীদের হাতে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটল হিল আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু সংবাদপত্রটি রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতা অমার্জনীয়। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। কেবল উগ্রবাদীদের দোষারোপ করে এ থেকে নিস্তার পাওয়া যাবেনা।'
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, 'আমাদের সময়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর চিন্তা হলো, “কেবল আমিই ঠিক এবং অন্যরা আমাদের প্রতিপক্ষ।” এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শুরু করতে হবে সংলাপ সব বিরুদ্ধবাদীদের সাথে। তাদের অভিযোগ শুনতে ও বুঝতে হবে। অভিযোগ আছে, আমাদের দেশে “ইসলামপন্থীদের/উগ্রবাদীদের” উপর অমার্জনীয় নৃশংসতা চালানো হয়েছে। অভিযোগ আছে এদেশের প্রগতিশীলরা এর সম্মতি উৎপাদন করেছে। সাংবাদিক শফিক রহমান তো বলেই ফেলেছেন, সেদিন সংগ্রাম ও নয়া দিগন্ত আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদ হলে হয়তো প্রথম আলো আক্রান্ত হতো না। মতভিন্নতা থাকুক, সাথে থাকুক পরমতসহিষ্ণুতা ও সংলাপ।'
শেষে তিনি বলেন, 'আবারও প্রথম আলোয় উগ্রবাদীদের অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানাচ্ছি ও এটা প্রতিহত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করছি।'