সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বাবা–ছেলে দুজনই।
একই আসনে বাবা–ছেলের প্রার্থী হওয়ার খবরে হাতিয়া জুড়ে চলছে আলোচনা ও কৌতূহল। কেউ এটিকে নবীন ও প্রবীণের প্রতীকী লড়াই হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি রাজনৈতিক কৌশল কিংবা শক্তি প্রদর্শনের ভিন্ন রূপ। স্থানীয়দের মতে, এই প্রার্থী বিন্যাস ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ জানান, তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তবে ভোটের মাঠে তার অভিজ্ঞতা একেবারেই নতুন। এখনো কোনো জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি।
তবে এ বিষয়ে আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, নোয়াখালীর ছয়টি আসনে মোট ৮৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন প্রার্থী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী থেকে অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, এনসিপি থেকে আব্দুল হান্নান মাসউদ, বিএনপি থেকে মো. মাহবুবুর রহমান, জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে এ. টি. এম নবী উল্যাহ ও নাছিম উদ্দিন মো. বায়েজীদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, শামীমা আজিম, তানভীর উদ্দিন রাজিব ও মুহাম্মদ নুরুল আমীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া জেএসডি, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এলডিপি ও বিএসপি থেকেও প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।