সরবরাহ করা কাগজের মধ্যে রয়েছে সবুজ, গোলাপি, এজুরলেইডসহ বিভিন্ন রঙের কাগজ এবং বাদামি সালফেট রঙের কাগজ, যা ব্যালট পেপার তৈরিতে ব্যবহার করা হবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ জানান, নির্বাচন কমিশনের চাহিদাপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগেই কাগজ সরবরাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
এমডি আরও জানান, সরবরাহকৃত কাগজের বর্তমান বাজারমূল্য ১১ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ টাকা। নির্বাচন কমিশন বিএসও’র মাধ্যমেই এসব কাগজ সংগ্রহ করে থাকে।
এর আগে কাপ্তাই লেকের পানি দ্রুত কমে যাওয়ায় কাগজ উৎপাদন নিয়ে শঙ্কার মুখে পড়ে কেপিএম। পানির সংকটের কারণে একপর্যায়ে চারদিন উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। পরে বিকল্প পানির লাইন স্থাপনের মাধ্যমে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়।
মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ জানান, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে কেপিএমে সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিএসও’র মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে আরও প্রায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহ করা হবে।
উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ ও মণ্ড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কাগজ কলগুলোর অন্যতম হিসেবে পরিচিত।