জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরীন সুলতানা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে এতে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠীর কোনো প্রতীক নেই এবং প্রবাসী ব্যালট ব্যবস্থায় ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। এসব কারণে ভোট বর্জনই একমাত্র প্রতিবাদ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট মন্তব্যের ঘরে তিনি বর্তমান নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন।
ফেসবুক পোস্টে অধ্যাপক নাসরীন সুলতানা লেখেন, “প্রথম কথা, এই মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন আমি দেখতেও কেন্দ্রে যেতাম না। দ্বিতীয়ত, ভুল করে যদি বুথ পর্যন্ত যেতাম, তবে অবশ্যই ‘না’-তে একটি সিল দিয়ে আসতাম। যারা মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ধ্বংস করেছে, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন নষ্ট করেছে, রাস্তায় গণপিটুনি দিয়ে মানুষ মারার বৈধতা দিয়েছে—তাদের প্রতি ‘না’ বলুন। অতএব, প্রথমত ‘নো’ ভোট, দ্বিতীয়ত ‘না’ ভোট। আপনারটা মনেমনে ঠিক করুন। লোকজনকে বলার দরকার নেই।”
মন্তব্যের ঘরে তিনি আরও লেখেন, বর্তমান সরকার দেশের ইতিহাসে অযোগ্যতম সরকার, যারা নিরপেক্ষতা প্রদর্শনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষায়, দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠীর প্রতীক এই নির্বাচনে অনুপস্থিত এবং প্রবাসী ব্যালট ব্যবস্থায় পরিকল্পিত কারসাজি করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ভোটে অংশ না নেওয়াই একমাত্র কার্যকর প্রতিবাদ হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।