সোমবার (১৬ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসে এ খোলা চিঠি দেন তিনি।
তিনি লিখেন, 'খুলনা–কুষ্টিয়া মহাসড়কের বর্তমান বেহাল অবস্থা আজ খুলনা–কুষ্টিয়া অঞ্চলের লাখো মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ–কুষ্টিয়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। যার ন্যায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নিয়মিত দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন। এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজারো শিক্ষার্থী। কিন্তু রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ভোগ ও ঝুঁকি। একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বছরের পর বছর এমন বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা সত্যিই অত্যন্ত দুঃখজনক।'
তিনি আরও লিখেন, 'আপনি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার গর্বিত সন্তান। এই এলাকার মানুষের কষ্ট ও এই সড়কের বাস্তব অবস্থা আপনার অজানা নয়। আপনি এই অঞ্চলের মানুষের কথা ভেবে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তাই খুলনা–কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের পক্ষ থেকে আপনার কাছে জোর দাবি ও আকুল আবেদন- খুলনা–কুষ্টিয়া মহাসড়ক, বিশেষ করে ঝিনাইদহ–কুষ্টিয়া অংশের দ্রুত সংস্কার ও উন্নয়নের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।'
প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়ক। যেখানে থাকার কথা মসৃণ পিচঢালা সড়ক, সেখানে দেখা যাচ্ছে ইটের সলিং। কোথাও পুরো রাস্তা জুড়ে, কোথাও আবার বড় বড় গর্ত ভরাটে ব্যবহার করা হয়েছে ইট। এতে একদিকে যেমন যানবাহনের গতি কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ।