কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে এই ক্যাম্পটি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিতব্য প্রীতি ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে নিজেদের কৌশল ও দলীয় সমন্বয় ঝালিয়ে নিতে চায় আলবিসেলেস্তেরা।
সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন মেসি। নিউ ইয়র্ক সিটির বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে তার অসাধারণ ফ্রি-কিক গোল ছিল ক্যারিয়ারের ৭০তম। পুরো ম্যাচে ৯০ মিনিট খেলে তিনি ফিটনেসের দিক থেকেও নিজেকে প্রস্তুত প্রমাণ করেছেন। ফলে আসন্ন ম্যাচগুলোতে তাকে পূর্ণ সময় মাঠে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
স্পেনের বিপক্ষে ফিনালিসিমা বাতিল হওয়ায় নিজেদের মাটিতেই প্রস্তুতি সারার সিদ্ধান্ত নেয় আর্জেন্টিনা। বুয়েনোস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে দলটি। বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে এটি মেসির শেষ ম্যাচও হতে পারে, যা ভক্তদের জন্য বাড়তি আবেগের উপলক্ষ।
এদিকে ঘোষিত স্কোয়াডে চমকের কমতি রাখেননি স্কালোনি। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন তরুণ ফুটবলারকে সুযোগ দিয়েছেন তিনি। প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন টমাস পালাসিওস ও গ্যাব্রিয়েল রোহাস। একই সঙ্গে মারকোস আকুনার প্রত্যাবর্তনে রক্ষণভাগে এসেছে বাড়তি শক্তি।
তবে ইনজুরির কারণে জিওভানি লো চেলসো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের অনুপস্থিতি দলের জন্য বড় ধাক্কা। তাদের শূন্যতা পূরণে তরুণ নিকো পাজ ও জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ানির ওপর ভরসা রাখছেন কোচ। আক্রমণভাগে সুযোগ পেয়েছেন হোসে ম্যানুয়েল লোপেজও।
এছাড়া স্কালোনি নজর রাখছেন ভ্যালেন্তিন বারকো, ম্যাক্সিমো পেরোনে ও মারকোস সেনেসির মতো সম্ভাবনাময় ফুটবলারদের ওপর, যাতে বিশ্বকাপের আগে দলকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী করে তোলা যায়।
সব মিলিয়ে, মেসির নেতৃত্বে আবারও ছন্দে ফিরতে প্রস্তুত আর্জেন্টিনা। ঘরের মাঠের এই প্রস্তুতি ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের চূড়ান্ত রূপ।