অপরদিকে মো. হাসান আহমেদ হৃদয় পাল্টা অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম স্যারের সাথে দেখা করতে আমি বার্ডে যাই। সেখানে তাঁর সাথে দেখা করে কয়েকটি সেলফি তুলি। এতে আবুল বাশার ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে না জানিয়ে কেন বার্ডে গেছি সে ব্যাপারে জবাবদিহি করেন। এসময় তিনি নিজেকে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এবং সুযোগ পেলে আমাকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেন তিনি।
এ ব্যাপারে হৃদয় বলেন, 'বাশার ভাই একজন সিনিয়র হয়ে আমাকে সেদিন হত্যার হুমকি দেন। নিজে হুমকি দিয়ে উল্টো আমার নামে থানায় ডায়েরি করেন। তিনি যে অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি এ বিষয়টি নিয়ে অনেক বেশি হতাশায় আছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমি সাহায্য চাই।'
অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার জন্য সদর দক্ষিণ থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, উক্ত অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই টিটু কুমার নাথকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।