১১তম ব্যাচ থেকে আবু মূসা সাঈদি, মোঃ আরাফাত হোসাইন, আসাদুর রহমান সাব্বির, খোরশেদ আলম সাইফ, মোঃ আল- মামুন, আব্দুর রহমান শুভ, আলাউদ্দিন আহমেদ সগির, মোঃ নূর আলম এবং আশিবুল আলম চৌধুরী তানভীর।
১২তম ব্যাচ থেকে সিরাজুম মুনিরা হোসাইনি, আফরোজ জাহান, মোছা আঞ্জুমান আরা স্বর্নালী, নাইমা আক্তার, ইসমত জাহান, ফারহানা তন্বী, সাবরিনা বৃষ্টি, শফি উল্লাহ, নেজামুল করিম, মেহেদী হাসান অপু, বোরহান উদ্দিন, হৃদয় দাস, সানজিদা এলিজা, ইব্রাহিম বাবলু, আয়েশা সিদ্দিকা, মরিয়ম সিতু, আলমগীর হোসেন, শেখ মাহমুদা, মো: মিরাজ, হাবিবা আক্তার, আইয়ুব উদ্দিন, শাহজাহান, রাশেদুল ইসলাম, ওসমান জয় মানিক, রিফাত আদনান, ফারহানা তৃষা, ধ্রুব বিশ্বাস এবং রোমান।
১৩তম ব্যাচ থেকে মোঃ মহিউদ্দিন, রেজাওনুল ইসলাম গনি, ইকবাল হোসেন শাকিল, আব্দুল্লাহ, ওসমানি রাকিব, ওমর ফারুক ইভান, মামুন, মোহন মিয়া, আহমেদ উল্লাহ রাফি, ফাহিম হোসেন, ইবরাহিম, সাবিনা ইয়াছমিন, ফাহিম আজমল, মোঃ মুজনবী, নাহার জান্নাত নীলা, হৃদিতা রহমান ছোয়া, আখের আলী, নাজমুল হাসান, উম্মে খাদিজা, ফারহানা তানভীর ইমা, সিলভিয়া রহমান, ফাইজা কামাল মুনমুন, বায়েজিদ ইসলাম সৌরভ, মৌসুমি রহমান এবং সাফা বিনতে জামান।
আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া তাবাসসুম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়াতে আমাদের আইন বিভাগ শুরু থেকেই অবদান রেখে আসছে। প্রতিবছর আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আইনজীবী হচ্ছেন। এবারও বড় একটি সংখ্যক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এছাড়াও আমাদের বিভাগের ৫ জন শিক্ষার্থী জুডিসিয়ারিতে আছেন। আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও তাদের শিক্ষক হিসেবে আমি এবং আমার সহকর্মীরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গর্বিত।'
প্রসঙ্গত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগের মধ্যে আইন বিভাগ সর্বশেষ বিভাগ হিসেবে ২০১৬ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে।