জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে অবৈধ মজুতকারীদের তথ্য দিলে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে।
শুক্রবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ মজুতদারি বন্ধে তথ্য প্রদানকারীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা আসছে। সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে ওঠে। বিশ্বের ৮০টি দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও জনগণের স্বার্থে বাংলাদেশ তা বাড়ায়নি। এ কারণে সরকার প্রতিদিন জ্বালানি খাতে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা থাকলেও ঈদের আগে প্রতিদিন ২৪ থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী এপ্রিল পর্যন্ত জনগণের জ্বালানির চাহিদা পূরণে সরকার সক্ষম। পাশাপাশি ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের অনুমতি পাওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।