ডা. মৃণাল কুমার সরকার বলেন, 'বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও ব্যবহৃত এই বিশেষায়িত মেডিকেল ডিগ্রিটিকে দেশে অজানা হিসেবে বিবেচনা করাই মূল বিভ্রান্তির কারণ। সমস্যার মূল জায়গা ছিল বিএমডিসি তখন এই ডিগ্রির সঙ্গে পরিচিত ছিল না।'
ডা. মৃণাল বলেন, 'ডিগ্রিটি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। অধ্যাপক টিএ চৌধুরী এবং অবসটেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনিকোলজি সোসাইটির (ওজিএসবি) মাধ্যমে বিএমডিসিতে বিষয়টি রেকগনাইজ করানোর প্রচেষ্টা করা হলেও, অপরিচিত থাকার কারণে নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।'
তিনি বলেন, 'এটি কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; বরং আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে দেশের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তুতির ঘাটতির প্রতিফলন। বিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত এই সাবস্পেশালিটিকে দেশে অজানা হিসেবে দেখা হয়েছে, যা সবচেয়ে বড় সমস্যা।'
ডা. মৃণাল কুমার সরকার আরও বলেন, 'ভবিষ্যতেও যদি বিশ্বমানের প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে নীতিনির্ধারকদের আপডেটেড দৃষ্টিভঙ্গি না আসে, তবে এ ধরনের বিতর্ক পুনরায় ঘটতে পারে।'