শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া হলফনামায় আজাদ ৭২টি মামলার তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। এর মধ্যে ৭০টি মামলায় তিনি খালাস, অব্যাহতি বা মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। বাকি দুইটি মামলা এখনও বিচারাধীন।
এদের মধ্যে একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে ঢাকার সিএমএম আদালতে দায়ের, যা হাইকোর্ট স্থগিত করেছে। অন্যটি আদালত অবমাননার মামলা।
মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও, রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
স্থানীয় জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, যথাযথ প্রমাণাদি জমা দিয়ে প্রার্থী আপিলে যাবেন এবং এই বিষয় নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।