বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি সমুদ্র অঞ্চল থেকে এসব জাহাজ সরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। এর আগে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে তেহরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য সীমিত করতে ওয়াশিংটন অবরোধ আরোপ করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে, যেখানে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর আগে ওই অঞ্চলে তিনটি জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী জব্দ করা তিনটি ট্যাংকারের মধ্যে একটি সুপারট্যাংকার ‘ডিপ সি’, যা মালয়েশিয়া উপকূল থেকে এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হয়। অন্য দুটি জাহাজ হলো ‘সেভিন’ ও ‘ডোরেনা’। ডোরেনা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছিল এবং এটি ভারত উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধ অমান্য করার চেষ্টার কারণে ডোরেনা বর্তমানে একটি মার্কিন রণতরীর নজরদারিতে ভারত মহাসাগরে রয়েছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা অন্তত ২৯টি জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তারা দুটি কনটেইনার জাহাজ জব্দ করেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এটিই তাদের প্রথম এ ধরনের পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সঙ্গে নতুন করে শান্তি আলোচনার কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
সূত্র: রয়টার্স