বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নিতা আনন্দ বলেন, 'ইরানি কর্তৃপক্ষের হাতে একজন কানাডীয় নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি।'
ইরানে চলমান সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে নিতা আনন্দ বলেন, 'দমন-পীড়ন ও চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি জানাতে গিয়ে ইরানি জনগণ যে বিক্ষোভ করছে, তার জবাবে শাসকগোষ্ঠী নির্লজ্জভাবে মানবজীবনের প্রতি অবহেলা দেখিয়েছে।'
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়নের ফলে দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হয়েছেন।
কানাডাসহ জি–৭ ভুক্তভোগী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও এক যৌথ বিবৃতিতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছাকৃত সহিংসতা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভকেন্দ্রিক অস্থিরতা ও সন্ত্রাসবাদের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মদদ রয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থানকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার অংশ বলে দাবি করছেন।