ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মন্তব্যের জবাবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'ইরানের এমন হুমকি কেবলই কথার ফুলঝুরি। তারা ইতোমধ্যে তাদের নৌবাহিনীসহ যা হারানোর মতো ছিল তার অনেকটাই হারিয়েছে।'
এর আগে একই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি স্থলপথে ইরানে হামলার চেষ্টা করে, তবে তা তাদের জন্য বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনবে।'
তিনি আরও দাবি করেন, যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলার জন্য ইরান প্রস্তুত এবং তারা মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে।
এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন। সম্ভাব্য কোনো নেতার নাম প্রকাশ না করলেও তিনি জানান, তার নজরে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা ইরানের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
ট্রাম্প বলেন, 'আমরা সেখানে প্রবেশ করে সবকিছু পরিষ্কার করে ফেলতে চাই। ইরানে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন যারা দ্রুত পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারবে, দীর্ঘ সময় ধরে পুরোনো ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখবে না।'
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি শুধু ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না, বরং দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেষ্টাও করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বাগযুদ্ধকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান