ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে ফের নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। বুধবারের এ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সর্বশেষ দফার হামলা চালানো হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা কমাতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রায় ৯০ মিনিটের অভিযানে বৃহত্তর তুনব দ্বীপের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে হরমুজ প্রণালির আশপাশে ও ইরানের উপকূলীয় এলাকায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী হামলা চালানোর কথা জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে এর জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপ অব্যাহত থাকলে অঞ্চলটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সংঘাত দীর্ঘ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স, এএফপি