রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস লিক থেকেই বিস্ফোরণগুলো ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, উপসাগরীয় উপকূলবর্তী বন্দর আব্বাস শহরের মোআল্লেম বুলেভার্ড এলাকায় একটি আটতলা আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হন। বিস্ফোরণে ভবনটির দুটি তলা ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি দোকান ও যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের প্রধান মোহাম্মদ আমিন লিয়াকাত জানান, প্রাথমিক তদন্তে গ্যাস লিক হয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানান আঞ্চলিক কর্মকর্তা মেহরদাদ হাসানজাদেহ।
অন্যদিকে, ইরাক সীমান্তবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজের কিয়ানশাহর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে পৃথক আরেকটি বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় তেহরান টাইমস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব নাকচ করে আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, এসব বিস্ফোরণের ঘটনায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনীর কোনো কমান্ডারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।
এই বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো এমন এক সময়ে ঘটল, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।