এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে উদ্দেশ করে বলেন, 'তেহরানকে শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ করতে হবে, অন্যথায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।'
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, 'তারা আমাদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু সেই স্বপ্ন আমরা কবরে নিয়ে যাব।'
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের ওপর ‘আমাদের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ চালানো হতে পারে।
তিনি দাবি করেন, সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে এসব স্থাপনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর করে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় বর্তমানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সংখ্যা প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবারের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও ২৩ শতাংশ কমেছে।