সূত্র জানায়, এই প্রেক্ষাপটে তেহরান বাংলাদেশের কেনা জ্বালানিচালানের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। একদিনের মধ্যে, বুধবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সব তথ্য ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
প্রদানকৃত তথ্যের মধ্যে রয়েছে—জাহাজের লোডিংয়ের নির্দিষ্ট তারিখ, কার্গোর ধারণক্ষমতা, লোডিং বন্দর বা উৎস, এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) শনাক্তকরণ নম্বর। তালিকা অনুযায়ী ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি এলএনজি কাতার থেকে এবং একটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।
ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি পার হতে হবে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এই পথটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্যতম বিঘ্নও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে—এমন উদ্বেগ থেকেই ঢাকা ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করছে।