বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারত থেকে চালবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে বন্দর দিয়ে পুনরায় চাল আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ডিপি ইন্টারপ্রাইজ দুটি ট্রাকে মোট ৭৭ টন ৬৩৬ কেজি চাল আমদানি করে।
দীর্ঘদিন পর চাল আমদানি শুরু হওয়ায় হিলি স্থলবন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চলতা ফিরতে শুরু করেছে। শ্রমিক, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
চাল আমদানিকারকরা জানান, দেশের বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ জন আমদানিকারককে মোট ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। অনুমতি পাওয়ার পর বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা এলসি খোলেন। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এলসির কপি পাওয়ার পরই বুধবার থেকে চাল পাঠানো শুরু করেন।
আমদানিকারকরা আরও জানান, ধীরে ধীরে প্রতিদিন চাল আমদানির পরিমাণ বাড়বে। এর ফলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলে তারা আশা করছেন। তাদের দাবি, ভারতীয় চাল বাজারে আসলে বর্তমানে যে দামে চাল বিক্রি হচ্ছে, তা কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত বছরের ৩০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর বাংলাদেশ সরকার সাময়িকভাবে এ বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ রাখে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চাল আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।