একই দিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
প্রতীক হাতে পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, 'আমি আমার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারা আমাকে আজকের এই অবস্থান দিয়েছে। ছোট ছোট বাচ্চারা আমাকে দেখে চিৎকার করে বলে—আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই প্রতীক শুধু আমার নয়, এটি আমার ভোটারদের প্রতীক।'
নিজের পালিত হাঁস চুরির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, 'আমি হাঁস পালতাম। আমার হাঁসগুলো চুরি হলে আমি চোরকে ছাড়িনি, মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস প্রতীক যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।'
রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান জানিয়ে বলেন, 'ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তারা যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই এই এলাকার উন্নয়ন করব।'
জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক পেয়েছেন, আর দলীয় প্রার্থীরা নিজ দলের প্রতীক পেয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’ পেয়েছেন।