যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির দ্বৈত নাগরিক এই কোচ খেলোয়াড় ও কোচ—দুই ভূমিকাতেই দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন বাংলাদেশ দলে। খেলোয়াড়ি জীবনে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ও সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলা ডুলি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের হয়ে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেন। এরপর ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে দলটির অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন তিনি।
ক্লাব ক্যারিয়ারে জার্মানির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কাইজারস্লটার্নের হয়ে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তার।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়ে এসে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন ডুলি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জার্মান কিংবদন্তি কোচ ইউর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে কাজ করেন।
প্রধান কোচ হিসেবে সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ফিলিপাইন জাতীয় দলের দায়িত্বে থাকাকালে। তার অধীনে দলটি প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এবং ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায় দেশটি।
বাংলাদেশে আসার আগে তিনি গায়ানা জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তার অধীনে খেলা চার ম্যাচের মধ্যে সবকটিতেই জয় পায় তার দল।
বাফুফে জানিয়েছে, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি দল গঠন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফলাফল উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই থমাস ডুলিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।