দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মোট ২১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে, নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ২১৮ জন।
ডিএমসি জানায়, প্রবল বর্ষণ ও বন্যায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন ১,২৭৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির মধ্যাঞ্চলে। গাছ উপড়ে পড়ে ও ভূমিধসে বহু সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, উদ্ধার কার্যক্রমে বিলম্বতা দেখা দেয়। পরে, উদ্ধারকর্মীরা সড়ক পরিষ্কারের কাজ শুরু করার পর ধীরে ধীরে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) থেকে কেলানি নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় কলম্বোর উত্তরাংশ তলিয়ে যাওয়ায় বাধ্যতামূলকভাবে অনেক এলাকাবাসীকে সরিয়ে নিতে হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মূল এলাকা থেকে সরে গেলেও উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে নদীতীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, উদ্ধারকাজও চলছে বেশ জোরেশোরে। ২৪ হাজারের বেশি পুলিশ, সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্য বিভিন্ন স্থানে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছেন। দ্বীপের পূর্বে মাভিল আরু জলাধারের বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় বিমান বাহিনী ১২০ জনেরও বেশি মানুষকে হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেয়।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানী কলম্বোতে পানি নামতে আরও অন্তত একদিন লাগবে। এখন শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।