এর আগে মিরপুরে ১ম টেস্টে ১০৪ রানের জয় তুলে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সিলেটে এসে সেই সাফল্যকে আরও এক উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামরা।
ম্যাচের শেষ দিনে পাকিস্তানের আশা হয়ে ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে দুর্দান্ত বোলিংয়ে সেই স্বপ্ন ভেঙে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। প্রথমে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রিজওয়ানের উইকেট তুলে নেন শরিফুল ইসলাম। ৯৪ রান করে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিজওয়ান, আর তাতেই কার্যত শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের প্রতিরোধ।
এদিকে, বাংলাদেশের বড় লিড গড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল মুশফিকুর রহিমের। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। এটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির মালিকও এখন তিনি।
প্রথম ইনিংসে ১২৬ রান করা লিটন দাস দ্বিতীয় ইনিংসেও খেলেন ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পুরো সিরিজজুড়ে ব্যাট হাতে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বোলিং ইউনিটও ছিল দুর্দান্ত ছন্দে।
ব্যাটিং, বোলিং ও মানসিক দৃঢ়তায় পুরো সিরিজে পাকিস্তানকে স্পষ্টভাবেই ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে এই ঐতিহাসিক ধবলধোলাই বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে যোগ করল নতুন এক গৌরবময় মাইলফলক।