শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। অধিকাংশ বিভাগেই ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর অংশগ্রহণ বেশি।
এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সব পরীক্ষা কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে জোরদার করা হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষামন্ত্রীর সম্ভাব্য আকস্মিক পরিদর্শন নিয়েও আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সূচি অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হওয়া লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।