নকল ও অনিয়ম রোধে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং দেহে ধারণযোগ্য ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে।
পরীক্ষার্থীদের কেউ কেউ নতুন এ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছুটা অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দেহে ধারণযোগ্য ক্যামেরার ব্যবহার আগে দেখেননি। তবে তারা আশা করছেন, প্রশ্নপত্র সহজ বা কঠিন—কোনো চরম পর্যায়ের না হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ হবে।
এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও প্রশ্নের মান নির্ধারণে শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধার পার্থক্য বিবেচনায় রাখা জরুরি। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বৈষম্যের শিকার না হয়।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, কোনো পরীক্ষার্থী দুর্ঘটনার কারণে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারলে স্থানীয় প্রশাসন যৌক্তিক মনে করলে তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের কোনো অঞ্চলে বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে শুধু ওই এলাকার নয়, সারা দেশের ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন তারিখে একযোগে আয়োজন করা হবে।
গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৯ হাজারের বেশি। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। সারা দেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে।