মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে নতুন প্রশাসক বলেন, 'নতুন প্রশাসক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত দিন হয়েছে। কর্পোরেশনে এখন কোনো টাকা নেই, কেবলমাত্র ২৫ কোটি টাকার তহবিল আছে। আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব হিসাবের পর আমি জানতে পেরেছি, প্রতি মাসে মাত্র ১৩ কোটি টাকা বেতন দিতে হয়। অর্থাৎ কাজের জন্য হাতে থাকে ১২ কোটি টাকার মতো। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে চালানো হবে, সেটা এখন আমাদের ভাবার বিষয়।'
তিনি আরও বলেন, 'পূর্ববর্তী প্রশাসক জাতীয় নির্বাচনের দুদিন আগে, ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসের শেষ দিন ৩৪টি ফাইল সাইন করে গেছেন।“এখন কর্পোরেশন একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। এর পাশাপাশি ১,৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে।'
ডিএনসির খাল খনন ও দখলদার উচ্ছেদের বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন নতুন প্রশাসক।
দখলদারদের বিরুদ্ধে ঈদের পর থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, 'আইন ও পরিবেশ সংস্থা সহযোগিতায় দখলদারদের নোটিশ দেওয়া হবে। নিম্ন আয়ের বা ছিন্নমূল মানুষদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে অন্য কোথাও পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।'