ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে থাকার সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পার হলেও তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে ২৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সোমবার ও মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আবেদন করে তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এতে এসব আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৭ জনে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার ২০টি আসনে বৈধ ঘোষিত মোট ১৬২ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ১৯ জন, আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ২ জন এবং জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
যেসব আসনে যাঁরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন
ঢাকা–১
ফরহাদ হোসেন (খেলাফত মজলিস)
ঢাকা–৫
মোখলেছুর রহমান কাছেমী (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি)
মো. লুৎফুর রহমান (এবি পার্টি)
এস. এম. শাহরিয়া (এনসিপি)
মো. আতিকুর রহমান নায়ু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন)
ঢাকা–৬
গাজী নাসির (এবি পার্টি)
ঢাকা–৭
তারেক আহম্মেদ আদেল (এনসিপি)
ঢাকা–৯
মো. ফয়েজ বখ্শ সরকার (খেলাফত মজলিস)
কবির আহমদ (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
ঢাকা–১০
আহমদ আলী (খেলাফত মজলিস)
সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জেএসডি)
ঢাকা–১২
মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ লেবার পার্টি)
ঢাকা–১৩
মো. মুরাদ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
ঢাকা–১৫
এ. কে. এম. শফিকুল ইসলাম (গণফোরাম)
ঢাকা–১৬
আহসানউল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)
মো. রিফাত হোসেন মালিক (খেলাফত মজলিস)
ঢাকা–১৭
মো. এমদাদুল হক (খেলাফত মজলিস)
ঢাকা–১৮
বিলকিস নাসিমা রহমান (গণসংহতি আন্দোলন)
মুহাম্মদ আশরাফুল হক (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
মফিজুল ইসলাম (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি—এলডিপি)
সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার (খেলাফত মজলিস)
মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ আমীন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)
ঢাকা–১৯
এ. কে. এম. এনামুল হক (খেলাফত মজলিস)
আফজাল হোসাইন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
ঢাকা–২০
আব্দুর রউফ (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ায় আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রার্থীদের নামের তালিকা বাংলা বর্ণানুক্রমে প্রকাশ করা হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।