রোববার (১৭ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাম ও ডেঙ্গুরোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা’ শীর্ষক জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, '২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দেশে নিয়মিতভাবে হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। এতে টিকার তীব্র সংকট তৈরি হয় এবং বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।'
তিনি বলেন, '২০২০ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ টিকাদান হয়েছিল। এরপর আমরা দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত দেশে মিজেলস বা হামের কোনো টিকা দেওয়া হয়নি। এমনকি আমাদের হাতে একটি টিকাও ছিল না।'
হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত রোগীকে যথাযথভাবে আইসোলেশনে রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও প্রচার কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর নেতাকর্মীদের হামের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধেও জনসচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।