বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ১০টায় দলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার পরপরই দলের ভেতরে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ। নবঘোষিত কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মাথায় রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন পদবঞ্চিত ও ক্ষুব্ধ নেতারা।
সদ্য ঘোষিত কমিটির দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রাফসানজানি অভিযোগ করে বলেন, 'অর্থের বিনিময়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এই পকেট কমিটির বিরুদ্ধে আমার প্রথম ও শেষ সংবাদ সম্মেলন। আমরা রাজনীতি ধ্বংসের এই পাঁয়তারার বিরুদ্ধে গণপদত্যাগ করছি।'
এনসিপি নেতা আরফাত আহমেদ রনি জানান, দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে ৭০ শতাংশ নতুন মুখ আনা হয়েছে। এমনকি কক্সবাজারের লোকজনকে নিয়ে এসে চট্টগ্রাম মহানগরের কমিটিতে রাখা হয়েছে।
এছাড়া, শুরু থেকে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরও প্রচুর সক্রিয় নেতার নাম তালিকায় নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, নতুন কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবার সহযোগিতা চেয়ে বলেন, 'জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের রক্তের ঋণ শোধ করার শক্তি আল্লাহ আমাদের দিন। পুরোনো ব্যবস্থা ভেঙে এনসিপি যে নতুন বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর।'