রোববার (২৯ জুন) হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিয়ে মাঠে দাঁড়িয়ে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে মাথা নত করেন তিনি। একই সঙ্গে দলের ব্যর্থতার পুরো দায় নিজের কাঁধে নেন।
মোরিয়াসু বলেন, প্রত্যাশিত ফল এনে দিতে না পারায় তিনি গভীরভাবে দুঃখিত। একজন প্রধান কোচ হিসেবে এই ব্যর্থতার দায়িত্ব তাঁরই।
তিনি আরও বলেন, শুধু মাঠে উপস্থিত সমর্থকেরাই নন, জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গভীর রাত জেগে যারা দলকে সমর্থন করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞ। কঠিন সময়েও সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থন দলকে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সম্প্রচারে দেখা যায়, ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার পর মোরিয়াসু সমর্থকদের উদ্দেশে মাথা নত করেন। এ সময় তাঁর খেলোয়াড়রাও করতালির মাধ্যমে কোচের প্রতি সম্মান ও সংহতি প্রকাশ করেন। আবেগঘন এই দৃশ্য দ্রুতই ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পরাজয়ের হতাশা প্রকাশ করে জাপানের এই কোচ বলেন, বিশ্বকাপ অভিযান এত দ্রুত শেষ হওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে পুরো আসরজুড়ে তাঁর খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে খেলেছেন। একইভাবে কোচিং স্টাফ ও সহায়ক দলের সদস্যরাও নিরলস পরিশ্রম করেছেন।
২০১৮ বিশ্বকাপের পর থেকে টানা আট বছর জাপান জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করে আসা মোরিয়াসু বলেন, হতাশাজনক এই ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী দল হিসেবে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে চান তাঁরা।