শি জিনপিং বলেন, 'গত এক বছরে চীন–ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত ও বিকশিত হয়েছে, যা বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চীন সবসময় বিশ্বাস করে, ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হওয়াই দুই দেশের জন্য সঠিক পথ।'
চীন–ভারত সম্পর্ককে রূপক অর্থে ‘ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ’ হিসেবে উল্লেখ করে শি জিনপিং বলেন, 'উভয় দেশ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।'
পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী ভারত ও চীনের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা ১৯৫০-এর দশক থেকে বিরোধপূর্ণ। ২০২০ সালে সীমান্ত সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা ও কয়েকজন চীনা সেনা নিহত হলে দুই দেশের সম্পর্কে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর হিমালয় অঞ্চলে উভয় দেশই সামরিক উপস্থিতি বাড়ায়।
তবে, গত বছর থেকে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক নীতির প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে ভারত ও চীন।