আরাঘচি জানান, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক, ভারত ও বাংলাদেশ এই তালিকায় রয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করেন, শত্রু বা বিরোধী দেশগুলোর জাহাজের জন্য প্রণালি খোলা থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও চলমান সংঘাতে জড়িত কিছু উপসাগরীয় দেশের জাহাজকে অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ইতিমধ্যেই সীমিত। শিপিং তথ্যভিত্তিক সংস্থা লয়েডস লিস্ট জানায়, সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ১২০টি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করে। কিন্তু ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১৫৫টি জাহাজ পার হয়েছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কম। এর মধ্যে ৯৯টি ছিল তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালির মাধ্যমে পরিবহন হওয়ায়, হঠাৎ এই নিয়ন্ত্রণ জোরদারের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সংকট ও সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি