ভিডিওতে হানজালা বলেন, 'আমার জায়গায় যদি অন্য কেউ হতো, তাহলে আপনাদের বাড়িঘরে কাউকে থাকতে দিত না। আমি আপনাদের বাকস্বাধীনতা দিয়েছি। আগের এমপির বিরুদ্ধে এ দেশের একজনও কলম ধরতে পারেনি। আমি শিবচরের মানুষকে সেই স্বাধীনতা দিয়েছি। আর যদি আমি বিএনপিকে খোঁচাখুঁচি করি, তারা এ দেশে থাকতে পারবে না।'
তিনি আরও বলেন, 'আপনারা রাজনীতি করেন শিবচর উপজেলা নিয়ে, আমি রাজনীতি করি পুরো বাংলাদেশ নিয়ে। আপনারা চিল্লাচিল্লি করবেন ক্লাবে-ক্ষেতে, আমি চিল্লাচিল্লি করব বাংলাদেশের পার্লামেন্টে। আমি শান্তি চাই। আমার চুপ করে থাকা মানে কোনো দুর্বলতা নয়। আমি নতুনত্বের রাজনীতি চাই। শিবচরে কোনো প্রতিহিংসা বা আধিপত্যের রাজনীতি আগামীতে দেখতে চাই না। এজন্য আসুন ভালোবাসা দিয়ে কাজ করি, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিবচরের উন্নয়নে কাজ করি।'
ভিডিওতে শিবচরের মানুষদের উদ্দেশ্যে হানজালা বলেন, 'আমার নামে লেখালেখি করবেন, আমি সেই স্বাধীনতা শিবচরের মানুষকে দিয়েছি। আগের এমপির বিরুদ্ধে এ দেশের একজনও কলম ধরতে পারেনি। আমি শিবচরের মানুষকে সেই স্বাধীনতা দিয়েছি।'
উল্লেখ্য, হানজালা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাদিরা চৌধুরীকে পরাজিত করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন। স্থানীয়রা জানায়, হানজালার এই বক্তব্য উপজেলা জুড়ে সমালোচনা ও আলোচনা তৈরি করেছে।
শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা বলেন, 'বর্তমান এমপি এবং তার পরিবার অতীতেও আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমি মনে করি, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য হলো শিবচরে উগ্রবাদী রাজনীতির উত্থান ঘটানো। শিবচরে যে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক সামাজিক পরিবেশ রয়েছে, তা উত্তপ্ত করার অভিপ্রায় থেকেই তিনি শিবচর বিএনপিকে নিয়ে এ মন্তব্য করেছেন বলে আমি মনে করি।'